ফেসবুক আইডি যেভাবে নিরাপদ রাখবেন !

ফেইসবুক আইডি হ্যাক হওয়া নিয়ে অনেকের মনেই সংশয় কাজ করছে। সাম্প্রতিক ঘটনাবলী এর জন্য দায়ী। যাইহোক আপনার আইডি কতটা নিরাপদ পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়লে বুঝতে পারবেন। উল্লেখ্য প্রথমেই বলে রাখি প্রোপাইল লক হ্যাকারদের কাজে কোনো বাধাই দিতে পারে না। সুতরাং আপনার প্রোফাইলটি পাবলিক রাখা আর লক রাখা একই। ????

ফেসবুক আইডি যেভাবে নিরাপদ রাখবেন !
fb security tips

 

মনে রাখার বিষয় হলো, আপনি আপনার যে ইমেইল টি ব্যবহার করছেন সেটি অবশ্যই হাইড রাখবেন। ???? নম্বর দিয়ে খোলা একাউন্ট অথবা ফোন ভেরিফাইড একাউন্ট সর্বদা বেশি নিরাপদ। কারণ আপনার নম্বর হ্যাক হয় না। জিমেইল হতে পারে আর জিমেইল পেলে আপনার ফেসবুক ও।

এতো গেলো আপনার ব্যসিক সিকিউরিটির কথা। এখল আসা যাক আসল কথায়।

ফেসবুক হ্যাকিং এর সেরা ৫ উপায় ! আর কিভাবে নিরাপদ থাকবেন শিখে নিন।

ফেসবুক হ্যাকিং এখন আসলে এত সোজা নয় বা কোন হ্যাকার নেই ফেসবুক ডাইরেক্টলি হ্যাক করবে। কারণ ফেসবুকের কোন দুর্বলতা দেখিয়ে দিতে পারলে ১০ লক্ষ টাকা পুরুস্কার ঘোষণা করেছেন ফেসবুকের সি ই ও Mark Zuckerberg সো যদি কেও যদি ডাইরকেটলি ফেসবুক হ্যাক করতে পারে তাইলে সেই প্রথম ১০ লক্ষ টাকার মালিক হবে আপনাকে আমাকে বলবে না। তাই এইস সব প্রশ্ন থেকে বিরত থাকবেন । "ভাই আমি ফেসবুক হ্যাকিং শিখব, আমায় একটা আইডি হ্যাক করে দেন আমি আপনায় প্রয়জনে টাকা দিব কত দিবেন বর জুরে ১০ হাজার? আর হ্যাক করতে পারলে ১০ লক্ষ :p ???? এখন বুজলেন। তাই এই সব প্রশ্ন থেকে বিরত থাকবেন, আর কাওকে টাকা দিবেন ও না। নাইলে আম সহ আম গাছ যাবে।

১. ফিশিং
ফেসবুক হ্যাকিং এর অন্যতম আর সব চেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ফিশিং। ফিশিঙে একজন হ্যাকার ফেসবুকের লগ ইন পেজ এর মত দেখতে একটি পেজ তৈরি করে, যা একটি নখল লগইন পেজ। এই ফেইক লগ ইন পেজ কে ভিক্টিম আসল ফেসবুক পেজ মনে করে লগ ইন করে এবং লগ ইন এর সাথে সাথে ভিক্টিম এর ইমেইল পাসওয়ার্ড চলে যায় হ্যাকার এর কাছে। ????

উপায়ঃ ফেসবুকএর মাধ্যমে লগিন করার ইচ্ছা এড়িয়ে চলুন। ভালোমানের ব্রাউজার ইউজ করুন। ক্রোম, ফারারফক্স, এক্সপ্লোরার, অপেরা।

২. ফেসবুক হ্যাকিং এর আরেকটি জনপ্রিয় এবং অন্যতম পদ্ধতি কি লগিং :D। কি লগিং (keylogging) হচ্ছে খুবই বিপজ্জনক পদ্ধতি, অনেক সময় দেখা যায় কম্পিউটার সম্পর্কে দক্ষ মানুষ ও কি লাগার দ্বারা আক্রান্ত হন। ????

কি লগার যে ভাবে কাজ করেঃ
এ ক্ষেত্রে হ্যাকার যে কোন ফাইল বা কোন একটি ছবি বাইন্ডিং করে ভিক্টিম এর কম্পিউটারে সেন্ড করে দেয়, keylogging ভিক্টিম এর কম্পিউটারে সকল ধরনের অ্যাক্টিভিটি রেকর্ড করে।

এর থেকে রক্ষা পাওায়ার উপায়ঃ
কি লগিং থেকে রক্ষা পেতে হলে আপনার কম্পিউটারে সবসময় একটি ভাল এন্টিভাইরাস ব্যবহার করতে হবে। এবং Untrusted ফাইল ব্যবহার পরিহার করার চেষ্টা করুন।

৩. মোবাইল ফোন হ্যাকিং (mobile phone hacking)-
বিশ্বের প্রায় ৮৯ শতাংশ মানুষ মোবাইল দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার করে। আর মোবাইল দিয়ে ফেসবুক ব্যবহার কারির মোবাইল যদি হ্যকার ভিক্টিমের মোবাইল হ্যাক করতে পারে তাহলে হ্যাকার খুব সহজেই সে ভিক্টিম এর ফেসবুক access নিতে পারবে। যদি ভিক্টিম এবং হ্যাকার একই Network এ থাকে তাহলে হ্যাকার সহজেই DNS শপুফিং করে আপনার অরজিনাল পেজ ফিশিং এ রূপান্তর করে। তারপর বুঝতেই পারছেন।

উপায়ঃ পাবলিক ওয়াইফাই ইউজ না করাই ভালো। মোবাইল নেটওয়ার্ক অথবা মডেম নেটওয়ার্ক নিরাপদ।

৪. (ইউ এস বি হ্যাকিং) USB Hacking-
এটা প্রায় কিলগিং এর মত। এ ক্ষেতে হ্যাকার তার পেনড্রাইভে এমন একটি প্রোগ্রাম করে রাখে যা ভিক্টিম তার কম্পিউটারে লাগানো মাত্রই আটোমেটিক ইন্সটল হয়ে যায় এবং keyloggingএর মত কাজ করে। তার ফলে ই এস বি এর জন্য হ্যাকার ভিক্টিম এর সকল রেকর্ড পেয়ে যায়।

এটা থেকে রক্কা পাওায়ার উপায়ঃ
ভাল এন্টিভাইরাস ব্যবহার করুন। এবং ইউ এস বি ডুকালে নিয়মিত স্কেন করুন

৫. তাছাড়া, আরো অনেক পদ্ধতি আছে হ্যাকিং এর যেমন, সেশন ছিনতাই, Sidejacking With Firesheep, . Man In the Middle Attacks, Botnets ইত্যাদি।

সর্বদা সচেতন থাকুন। বর্তমান যুগে ডাক্তারদের মত প্রোগ্রামারদের সাথে যোগাযোগ রাখাও জরুরি হয়ে পড়ছে যেকোনো ভয়াবহ বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা হতে দ্রুত পরিত্রাণ পেতে।

-- ----ধন্যবাদ