খালিশপুর জুট মিলের জিএম ঘুষসহ হাতেনাতে আটক, দুদকের মামলা

খালিশপুর জুট মিলের জিএম ঘুষসহ হাতেনাতে আটক, দুদকের মামলা

দুদক খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শাওন মিয়ার নেতৃত্বে খালিশপুর জুট মিলের কামালের নিজ কার্যালয় থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন দুদক খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ, উপসহকারী পরিচালক নীলকমল পাল, দুদক বিভাগীয় কার্যালয়ের উপসহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান, সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিদর্শক শ্যামল চন্দ্র সেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, খালিশপুর জুট মিলের নিরাপত্তা প্রহরী মো. নূরুল আমিন বাবুসহ ৪ জনকে ভারপ্রাপ্ত গার্ড কমান্ডার পদে পদোন্নতি দেন প্রকল্প প্রধান মোস্তফা কামাল। একই সঙ্গে পদোন্নতি বাবদ জনপ্রতি ২০ হাজার টাকা করে মোট ৮০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন তিনি। কিন্তু গত ঈদ-উল আজহার সময় উক্ত পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তিনি পুনরায় ভারপ্রাপ্ত গার্ড কমান্ডার নূরুল আমিন বাবুর কাছ থেকে আরও ১০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। সম্প্রতি ওই পদে নতুন করে লোক নিয়োগ দেওয়ার ভয় দেখিয়ে প্রকল্প প্রধান মোস্তফা কামাল আবারও তার কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন।
এ ঘটনায় বাবু ক্ষুব্ধ ও হতাশ হন। একই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আইনানুগ পদক্ষেপ নিতে দুদক খুলনার পরিচালক বরাবর আবেদন করেন। এ বিষয়ে দুদক প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার দুপুরে ফাঁদ মামলা পরিচালনার মাধ্যমে তাকে আটক করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে দুদকের সহকারী পরিচালক শাওন মিয়া বাদী হয়ে মামলা করেন।
দুদকের খুলনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শাওনা মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘুষ লেনদেনের পর ঘুষের ১০ হাজার টাকাসহ জিএম গোলাম মোস্তফা কামালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে খুলনা দুদক সমন্বিত কার্যালয়ে মামলা হয়েছে। মামলা নম্বর-১২ (তাং-০৫/১১/১৯ইং)।
দুদকের সমন্বিত খুলনা জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসান জানান, খালিশপুর জুট মিলের প্রকল্প প্রধান মোস্তফা কামালকে ঘুষের ১০ হাজার টাকাসহ আটক করা হয়েছে।
দুদকের সমন্বিত খুলনা জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল বলেন, ঘুষসহ হাতেনাতে আটকের পরে ওই দিনই মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।